শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আন্তঃহল ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট ২০২৫-২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকাল ৩:৩০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের চতুর্থ তলার কনফারেন্স কক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শারীরিক শিক্ষা বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. রমিজ উদ্দীনের সঞ্চালনায় এবং শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক মো. নূর উদ্দীন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আব্দুল লতিফ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসাইন এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মুহাম্মদ আবুল বাশার। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. ফিরোজ মাহমুদ, এএসভিএম অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আশাবুল হক এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আরফান আলীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
এবারের টুর্নামেন্টে মেয়েদের একক বিভাগে ৬ জন ও ডাবলসে ৩টি দল এবং ছেলেদের একক বিভাগে ১৬ জন ও ডাবলসে ৮টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। মেয়েদের একক বিভাগে অপরাজিতা ২৪ হলের শিক্ষার্থী নাদিয়া ইসলাম চ্যাম্পিয়ন এবং একই হলের অঞ্জনা ইসলাম রানার্স-আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। মেয়েদের ডাবলসেও চ্যাম্পিয়ন হন অপরাজিতা ২৪ হলের নাদিয়া ইসলাম ও অঞ্জনা ইসলাম জুটি, যেখানে রানার্স-আপ হন বেগম রোকেয়া হলের জেরিন তাসনিম ও ফারিয়া সিফাত।
অন্যদিকে ছেলেদের একক বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন বিজয় ২৪ হলের মো. রাকিবুল ইসলাম এবং রানার্স-আপ হন একই হলের শক্তিদেব ভট্টাচার্য অয়ন। ছেলেদের ডাবলসে শেরেবাংলা হলের এমএস শিক্ষার্থী মোস্তবা হোসেন আতিক ও সরকার এম এ হাদি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সাফল্য দেখান। এই বিভাগে রানার্স-আপ ট্রফি অর্জন করেন বিজয় ২৪ হলের মো. রাকিবুল ইসলাম ও শক্তি দেব ভট্টাচার্য অয়ন জুটি।
পুরো টুর্নামেন্টটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করেন শারীরিক শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, উপ-পরিচালক মোল্লা সাবিরা সুলতানা, কৃষিবিদ মো. জান্নাতুল হাসান এবং কৃষিবিদ মো. নূর-ই-আল-মামুন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, “খেলাধুলা শরীর ও মন সুস্থ রাখার অন্যতম প্রধান মাধ্যম। প্রযুক্তিনির্ভর এই বর্তমান যুগে খেলাধুলা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র ও জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সহমর্মিতা, সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।”