শেকৃবি ক্যারিয়ার ক্লাবের উদ্যোগে আইডিয়া কম্পিটিশন ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) আইসিটি ও ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট ক্লাবের উদ্যোগে আইডিয়া ও কেস কম্পিটিশন এবং নবীনবরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সেমিনার কক্ষে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এগ্রিবিজনেস ম্যানেজমেন্ট অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসাইন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসিআই ফার্টিলাইজারের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর বশির আহমেদ। এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন VAALO avant-garde Ltd.-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. নাজনীন আক্তার
আয়োজনে ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ করা হয়। পাশাপাশি অনুষ্ঠিত কেস কম্পিটিশনে মোট ৭টি দল অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতা শেষে সেরা তিনটি দলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
ক্লাবের মডারেটর অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান সরকার বলেন, “আজকের শিক্ষার্থীদের শুধু একাডেমিক পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে AI, ডেটা সায়েন্স, সাইবার সিকিউরিটি ও আইসিটির মতো আধুনিক প্রযুক্তির জ্ঞান অর্জন করতে হবে।” নতুন শিক্ষার্থীদের সচেতন ও উৎসাহিত করতেই ক্লাবের প্ল্যাটফর্ম থেকে সেমিনার ও ওয়ার্কশপের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, এবারের আয়োজনে প্রায় ১০০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন। আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতায় ছিল এসিআই ফার্টিলাইজার ও ‘ভালো’। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি আইটি দক্ষতা, টিমওয়ার্ক ও এক্সট্রা-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিজে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
ক্লাবের সভাপতি আসিফ আল আরাফ বলেন, “আগামী দিনে আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য আরও বেশি স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম, ক্যারিয়ার সেমিনার, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিভিত্তিক কার্যক্রম আয়োজন করতে চাই। আজকের আয়োজন সেই দীর্ঘ পথচলারই একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা।”
ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত বলেন, “আজকের নবীনবরণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা আমাদের ক্লাব পরিবারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, তাদের নতুন চিন্তা, উদ্যম ও মেধা ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করবে।”
আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি, ক্যারিয়ার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং নেতৃত্ব, টিমওয়ার্ক ও সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বিকাশের লক্ষ্যেই ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
মামুন/০০০৩